রমজান মাসের সম্পূর্ণ গাইড: রোজার ফজিলত ও বিধান
রমজান হিজরি ক্যালেন্ডারের নবম মাস এবং কুরআনে নামে উল্লিখিত একমাত্র মাস। আল্লাহ বলেন: "রমজান মাস, যে মাসে কুরআন নাজিল হয়েছে মানুষের জন্য হিদায়াত হিসেবে।" [২:১৮৫]
রমজানের ফজিলত
নবী ﷺ বলেছেন: "রমজান এলে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানকে শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা হয়।" ঈমানের সাথে রোজা রাখলে আল্লাহ পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেন।
রোজার বিধান
রমজানের রোজা প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও সক্ষম মুসলিমের উপর ফরজ। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকতে হবে। রোগী, মুসাফির, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী পরে কাজা করার শর্তে রোজা না রাখতে পারবেন।
রমজানের মুস্তাহাব আমল
- সেহরি: নবী ﷺ বলেছেন: "সেহরি করো, কারণ সেহরিতে বরকত আছে।"
- সূর্যাস্তের সাথে সাথে ইফতার করা সুন্নত।
- তারাবির নামাজ প্রতি রাতে ইশার পর।
- কুরআন তিলাওয়াত ও খতম দেওয়ার চেষ্টা।
- সাদকা ও ইফতার করানো: "যে রোজাদারকে ইফতার করাবে তার সমান সওয়াব পাবে।"
লাইলাতুল কদর
হাজার মাসের চেয়ে উত্তম এ রাত শেষ দশ রাতে, সবচেয়ে শক্তিশালী মত অনুযায়ী ২৭তম রাতে। এ রাতের শ্রেষ্ঠ দোয়া: "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।"
ফিতরা
প্রতিটি সক্ষম মুসলিমের নিজের ও পোষ্যদের পক্ষে ঈদের নামাজের আগে ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব। পরিমাণ এক সা' (প্রায় ২.৫ কেজি) প্রধান খাদ্য।